Saturday, April 28, 2012

বোহেমিয়ান এবং দুঃখবিলাস




বেষ্টি নীলের দখলে জেগে থাকা দুঃখগুলো থোকা থোকা আঙুরফল
আদিম নক্ষত্র থেকে এভাবেই কমে যাবে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ
অষ্টাদশী চাঁদের বিপণন সম্পন্ন হলে
শিশিরের আবেশে প্রতিফলনের ছবি আঁকি
পাঁজর চিনতে পারে তাকাবার বিমুগ্ধ ভঙ্গিমা
   মনখারাপের কিছু লাইন ওদের কবিতা হতে দিও
ছোট্ট নুড়ির গায়ে জলতিরতির ছোঁয়া ভালোবাসা নাম
স্তনের উপত্যকায় জিরাফের পায়ের ছাপ আর
   আদরের নিঃশব্দতায় চির পত্রভোজি দীঘলগ্রীবা
অভিমানে নয় কেউ কেউ ঘর ভাঙে বেখেয়ালী শখে।।

তুমি আমি আর গভীর রাতের sms




জলসূত্র লিখে রাখে অনাগত প্রেমিকার নাম
দেয়াল গড়ানো অন্ধকারেসূচিপত্রে একা অভিমান
নৈঃশব্দ্যের ভেতর ঠেকে যায়
ভালোবাসা শূন্যতায় ভোগে, ব্যবচ্ছেদে হৃদয় দৃশ্যমান
অচেনা আঙুল খুঁজে পায় পরিচিত নম্বর আর sms এ চুপকথা টোন
নিকটবেলায় উষ্ণ ঠোঁটে নরমকুঁড়ি সূর্যভো
নির্জনতায় কোন সাইনবোর্ড লাগে না
ব্যাভিচারী মেঘের দল খসে পড়ে টুকিটাকি মাখা সংসারে
পাপ আর মনস্তাপে শুদ্ধ হতে হতে কতটা গভীরে বাসা বাধে প্রেম
ভ্রমের বিলাসে ভ্রমর হয়ে এইসব ফুলে রেখেছি চুম্বন
তোমাকে রাখি বুকের গভীরে কলসীর জমাটে তুমি হারিয়ে যেয়ো না
আমিষ গন্ধ মেখে শ্রাবণের হাওয়া ধৈর্য্যের সীমা ভেঙ্গে দিতে চায়।

এপিটাফ




পরকীয়া

মধ্য দুপুরে প্রিয় ঘুম ছিঁড়ি কাঁথাবিলাস
পরকীয়া মাখামাখি বালিশে চাদরে
শীতার্ত আদর পায় নীল পরিত্রাণ
সুখের শরীরে জমে আদুরে অসুখ।।

বোধ
সমস্ত শরীর জুড়ে রেখেছো চিরকুট
খুলে খুলে ভাঁজে ভাঁজে পরিপাট
সহজপাঠে সদরে এসেছি থেমে থেমে
প্রত্যহ বাড়ছে বয়েস
এখনো পেরোনো বাকি সমস্ত চৌকাঠ।।

সংযম
বিছানা বদলের সময় আসেনি
এখন সবই গুচ্ছমূলের অন্ধকার
প্রাত্যহিক সহবাসে ভঙ্গীরা ঝরে পড়ে
বুক থেকে খসে যায় কিছু অচেনা খনিজ।।

ব্যার্থ প্রেমের দুই কবিতা



১।।
আমি বিন্যাস শুরু করি ছলাকলা নীল উদাসীন,
উদ্ভিন্ন যৌবন গাথায় দোল খায় তালপাতার পাখা
ত্রস্ত শার্টে ঘুম ভাঙা নিয়নের ছিঁটে
গোপন নামেরা হোক আজ আটপেড়ে,
তুই আমি চল সই প্রেম প্রেম মাখি
আর্দ্র চুম্বনে ভিন ছিলিমের  কয়েক টান শিশ্ন শীতল
সোহাগ যদি সহ্য না হয়  ঠোঁটে জিভ রাখিস না
ঘাম দিয়ে জ্বর এলে প্লিজ্ কপালে রাখিস হাত
দু হাতের তালুতে মুছে নিয়ে যাবতীয় অভিমান
রাত্রির গোপন মলাটে জমুক কান্নার ইতিহাস

২।।
অনন্ত সৈকত জানে হারানো সময় স্মৃতি
কিভাবে ধুধু বালিয়াড়ি হয়
তোকে ভালো রাখার সমস্ত বাজারী কৌশল
লিখিত থাকে ধারাবাহিক বিরহ দেয়ালে
চাঁদ শুকোলেও থাকবে জানি জ্যোস্না স্মৃতি
ত্বকে লেগে আছে পালকের দাগ
পূজো পাঠ শেষ হলে কাঠামোটি ঘাট প্রত্যাশী
মৃত বলেই এসময় অস্থির হয়ে যায় কিছু কিছু রং
পেরেকের ব্যথা  চিনে নেয় দেয়ালের ফাটল
টিভির এন্টেনায় একা একা দোল খায় ভোকাট্টা ঘুড়ি
ঠিকানার খাতা জুড়ে বেড়ে ওঠে অবুঝ ক্যাকটাস
অভিযুক্ত তীরগুলো বিষক্রিয়া শুরু করলে -
তোর কাছে কেবল মৃত্যুকামনা বেঁচে থাকবে