Sunday, December 20, 2009

পচনের কাল আসে ফুলেরও একদিন

ভেবেছি তোমাকে ভোর
অমানিশা কেটে গেলে তোমাকেই
ধরেছি জড়িয়ে
ঠোঁট ছুঁয়ে হাত ছুঁয়ে চোখের কাজল ছুঁয়ে
জেনেছি এ আমার অমল বেঁচে থাকা

তোমাকে ভেবেছি ভোর

ভোরের শিউলি, জুঁই, রাতের গন্ধরাজ
তোমাকে ভেবেছি ভোর
ভোরের শিশির ধোয়া কোমল বকুল
তোমাকে ভেবেছি ভোর
ছুঁয়ে হাত বলেছি এ আমার গোলাপ গোলাপ

পঁচনের কাল আসে ফুলেরও একদিন!

এ আমি না, ভাবিনি কখনো।

Thursday, December 10, 2009

দ্বিধা

এই তো রচিছ পথ যে পথে ছলনাও থাকে
আমি তার বুঝেছি কিছুবা, হয়তো অনেক

জানি
'ভালোবাসি' মানে ভালোবাসা নয় কখনো কখনো
দূরে যাওয়ার জন্যও আসতে হয় কাছে
অথবা
চিঠির জবাবে না লেখা কথার মতোই
লুকিয়ে থাকে কিছু রহস্য-গোপন
সব অভিসারে

মেঘের মতোই নেমে আসে
ঝড়ের মতোই উড়ে আসে
পলির মতোই ভেঙ্গে পড়ে

অভিসার শেষে, কপট সময়।

Thursday, February 12, 2009

আদৃতা... সে আমার ছিল না তো কেউ


মাঝে মাঝে রাতে ঘুম ভাঙ্গে, মাঝে মাঝেই, তীব্র পিপাষায় বুক ফেটে যেতে চায়। আমি উঠি, ওয়াটার জারের কাছে গিয়ে এক গ্লাস জ়ল নিই হাতে। তারপর বারন্দায় চলে যাই। বারান্দায় আমি আর নির্জন রাত...আমি কেন যেন আর আগ্রহ পাই না কিছুতেই, ঘুমাতে ইচ্ছে করে না তাই বিছানাও টানে না তখন।

নিস্তব্ধ রাত আরো গাঢ় হতে থাকে। আমার কোনো চিন্তা নেই, কোনো শব্দ নেই, কোনো তৃষ্ণা নেই এমন বোধহীন হয়ে ওঠে অস্তিত্ব। এই যে রাত একে নিয়ে কত না সুন্দর কল্পনা ছিল, এখন তা কোথায় গেছে ভাবি না। এই যে পৃথিবী তার অপার সৌন্দর্য, একে কতই না ভালোবাসি আমি, কতই না ভালোবাসি মানুষ, প্রিয়জন পরিচিত অ-পরিচিত। কারো কথাই তখন আর মনে পড়ে না। আশ্চর্য! আমি নিজেই যে একজন মানুষ, হারিয়ে ফেলি তখন সেই বোধটাও। পুরো মাথটাই যেন শূন্য হয়ে যায়।

শেষ হয়ে এলে এই বোধহীন ক্ষণ, একটি মুখ আমার উকি দেয় মনে, তাকে, সে, যে আমার ছিল না তো কেউ, না সে আমার কেউ হবেও না কোনোদিন। অথচ সে আমার কেউ যদি হতো তাহলে এরকম বোধহীন ক্ষণগুলোও ভরে যেত তীব্র অনুভবে।

রাতের নির্জনতা না ভেঙ্গেই এক সময় দুচোখ ভরে ওঠে জলে। তার মুখ ভেসে ওঠে। শুধুই তার মুখ দেখি, ঝাপসা হয়ে আসে সব, তার মুখও। হাতটা বাড়িয়ে দিয়ে বলি- হাত ধরো। আর কী সুন্দর চাপাফুলের ঘ্রাণে ভেসে যেতে থাকি আমি। মনে হয় এইতো এসেছে সে। এই তো আমার সবচেয়ে পছন্দের নীল রঙ শাড়ী পড়ে, চাপাফুল মেয়ে।

সে আমার ছিল না তো কেউ। সে আমার হবে না কোনোদিন। অথচ আমি জানি সে আমার সব হয়ে আছে। আমার নির্ঘুম রাতগুলো, সব ভালোলাগা, সুখ-অসুখ, সফলতা ব্যর্থতা এমন কি রাস্তায় একটি ইটের কনায় ব্যথা পেলেও আমি সবার আগে দেখি তাকে, ভেসে ওঠে শুধুই তার মুখ।

Tuesday, August 12, 2008

আপাত পানাহার

আপাত পানাহার / শুভেন্দু দেবনাথ


কাব্যিক গ্লো সময় বইছে তারিখের বোতল।
এই তো মায়া হনন ঢালছি টেবিলে টেবিলে।
ওপচানো কোলাহল ভেঙে
প্রবেশে ডারলিং এসো আবেশ ফোরামে।
এসো আর ভোরালির জারিজুরি মাখো
বিলাস কাঁথায়।
শুরুর বিষাদ আর উরুর শোকে অলি অলি
গলিপথ ঘুরে
ঘরেলু শিকল নয় শেরোয়ান লাগছে পরোয়ানার
পরতে পরতে।
ছিপি খুলে অস্ফুট চাঁদ ভাঙলো কোন পরবর্তী
পয়গম্বর
ঢাকা প্লেটে এক আধটা জরিবুটি হয়তো বা তখনো......


                                                    ১৮.০৬.২০১৪

Monday, May 12, 2008

তুমি


এক পৃথিবীতে শীত নামে শীতের সময়ে
মাঝখানে কেউ কেউ ধারণ করে অপার্থিব ওম।

পৃথিবীকে বাঁচিয়ে রাখে তোমার হাসি
ভাষাজ্ঞানে আর থমকানো দৃষ্টি
এখানে প্রতিদিন ভোর নামে ভোরের নিয়মে
দৃষ্টির ছোঁয়ায় দিয়ে যায় কতশত
নিথর প্রাণের আবেশ।

তোমার আড় চোখের ভাষা পড়তে জানি
তবে মাঝপথের বাধনটা সামনে আসেই
তাই আর একটা দিন একলা-একলা স্নানঘরে কাটিয়ে দিই,
এই দুপুর গতকালও ছিল এমনই
কালকের যে সময় একান্ত ছিল সেখানেও তোমার উপস্থিতি
শুধু ভাষাজ্ঞানের বোবারূপ
কে যে কবে দিয়েছিল মুখের কলুপ!

তুমি তো গতকালও ছিলে তোমার মতো
উৎসবমঞ্চে কী দারুণ অভিনয়
পায়ে যদি নূপুর বাঁধো শব্দ হবেই
নামমাত্র ঢঙে নিজেকেই আগলাবো

বাসিফুল ভেবে নয়
শুনেছি একটা প্রেম হবে আধুনিক-হয়তো উত্তর আধুনিকও
আঁজলা ভরে বসে আছি তোমার জন্যে
তুমি যদি ফিরে যাও তোমার সময়ে
আমার আমি থেকে আমাকে ছাড়াবে
পৃথিবীর সমানবয়সী প্রেমপত্র অনর্গল ধ্বনিত হবে
নতুন কন্ঠে;নতুন রূপে।

Wednesday, January 16, 2008

Wednesday, December 26, 2007

Saturday, September 15, 2007

Wednesday, September 12, 2007