যৌনকোলাজের সাদা কালো নিশ্বাস
ক্রমশ আজ আক্সিজেন হয়ে উঠছে
সমস্ত আগ্নেয় পাহাড়ই এখন প্রবল সুপ্তিহীন
কঠিনপাঠ ঈশ্বর আজ সরে গেছে কত দূরে
কোনও রঙ মাখিনি কোথাও
তবুও কেমন এই বিচিত্র বসবাস
খোলা আকাশের নীচে আর্গলহীন
সমস্ত অশিল্পই আজ কী তীব্র চর্বচোষ্যলেহ্যপেয়
নিশ্চিন্তে শুয়ে আছে আত্মবিশ্বাসী গর্ভবাজার
জেনে শুনে অনিবার্য যখন ভুল করে যেতে হয়
সেই মতো ভ্রমে
সোজা ঢুকে যাই অনন্ত মজাঘর
শুধু দিন নয়, রাত নয় – অকাল আষ্টপ্রহর
........................
এক বিছানায় আমরা কাটিয়েছি সুদীর্ঘ জীবন। আজ মধ্যরাত্রে আকস্মাৎ তার দাড়ি কামাবার শব্দে আমার গভীর ঘুম ভেঙ্গে গেল। দেখলাম, অতিকায় রেজারে সে তুলে ফেলছে মৌখিক অভিব্যক্তি গুলি, ত্বকের বহুমাত্রিক আবরণ। তার শেষ অশ্রুপতনের শব্দে কেঁপে ওঠে রিখটার স্কেল, নদী পাড়ের মা। দেখি ঘরময় ছোটাছুটি করে ভয়ার্ত আয়না লুকাবার জায়গা খুঁজছে।
........................................
সম্পর্কটা পুরনো। তো, সেই সম্পর্কের
মধ্যেখানে যারা আসে তারা কেউ আস্ত
থাকে না। হেঁসেল হাসে। তবুও গ্রহের
ফেরে কেউ না কেউ... সর্ষে থেকে সূর্যাস্ত
পৃথিবীর ভাড়াটিয়া। শ্রীযুক্ত সুরেশ
মহিম-অচলার মাঝখানে, ঠিক তখনই—
গৃহদাহ! শরৎ বাবু প্রকৃত মরমী.........
হেঁসেলেরা কাড়ে – কাশে অন্তর প্রদেশ।
ফিসফিসিয়ে আঁধার হল – খাড়া তার টিকি
টানাপোড়েনের প্রেমে কথা কাটে লোকে।
শো ভাঙে সতত পথে, নামে চোখে জল।
সম্পর্কটা পুরনো তো, সেটাই আসল—
স্বদেশ গীতিকা লেখা উনুনের চোখে
শিল-নোড়া আদতে সহজ – কৃষ্ণ-প্রতিকী
....................................
উত্তাপ দিও না আর
আয়ুর কপালে হাত রেখে
ছবিতেই বেঁচে থাকা ভালো
ভোগহীন বয়সে যুবক
চকচকে জীবন্ত ল্যামিনেটেড
পেছনে আংটা আছে দুটো
টেবিলে রেখো, যদি মনে কর
দেওয়ালেও টাঙাতে পারো
যেমন ভালোবাসো।
No comments:
Post a Comment